বাংলাদেশ: বুধবার ১৯ জানুয়ারি ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: বুধবার ১৯ জানুয়ারি ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ৫:৫৫ পিএম

কক্সবাজারে ইইউ’র আরও ৪১ কোটি টাকার অনুদান

8 / 100

এইনগরে : কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তায় আরও ৪০ কোটি ৯৫ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ)।

আজ সোমবার (৯ আগস্ট) সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে (ইইউ)।

গত ১ আগস্ট এই অনুদান আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) কাছে হস্তান্তর করেছে ইইউ।

ডব্লিউএফপি এই অনুদানে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তাবিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২০ সালে দেওয়া প্রায় ৯৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা অনুদানের পাশাপাশি গত ১ আগস্ট দেওয়া এই অনুদান মিলিয়ে কক্সবাজারে ডব্লিউএফপির খাদ্য ও পুষ্টি কর্মসূচিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সর্বমোট অনুদান প্রায় ১৩৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

রোহিঙ্গাবিষয়ক কার্যক্রমে কক্সবাজারে ডব্লিউএফপির অন্যতম এক গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারত্ব করছে।

ডব্লিউএফপির খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রগুলো থেকে তাদের পছন্দমতো খাবার কেনা এবং বিক্রয়কেন্দ্রগুলোতে প্রধানত চাল, রান্নার তেল, ডিম, ডালসহ ফ্রেশ ফুড কর্নারে নির্ধারিত মৌসুমি ফল ও শাকসবজি সরবরাহ করে থাকে।

এছাড়া কক্সবাজারের ক্ষুদ্র কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় করা হয়। স্থানীয়ভাবে এসব খাবার ক্রয় করার ফলে স্থানীয় অর্থনীতিতে প্রতি মাসে প্রায় আট কোটি ৫০ লাখেরও বেশি টাকা যুক্ত হয়।

কক্সবাজারে অবস্থিত শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে ডব্লিউএফপির পক্ষ থেকে সম্পূরক পুষ্টি-সহায়তাও দেওয়া হয়। তীব্র অপুষ্টি ও শিশুমৃত্যু ঠেকাতে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, গর্ভবতী নারী ও সন্তানের যত্ন নেওয়া নারীদের ডব্লিউএফপির পুষ্টিবিষয়ক কার্যক্রমও পরিচালনা করে।

ব্ল্যাংকেট সাপ্লিমেন্টারি ফিডিং কর্মসূচির আওতায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এই ধরনের মা ও শিশুকে বিশেষায়িত পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হয়।

ইইউর সঙ্গে যৌথভাবে সাজানো একটি নতুন পাইলট প্রোজেক্টের আওতায় ডব্লিউএফপির পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের যেসব শরণার্থী পরিবারে তিন থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশু রয়েছে, তাদের টপ আপের মাধ্যমে প্রতিজন শিশুর জন্য আনুমানিক ২’শ ৫৫ টাকা করে দিয়ে ই-ভাউচার বিক্রয়কেন্দ্রগুলো থেকে নানা রকমের তাজা শাকসবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার ক্রয় করে।

ডব্লিউএফপির ইমার্জেন্সি কো-অর্ডিনেটর শিলা গ্রুডেম জানিয়েছেন, কোভিড পরিস্থিতিতে কক্সবাজারে ইইউর ক্রমাগত খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তার ফলে শরণার্থী ও কৃষকদের মর্যাদা সুরক্ষা পাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *