বাংলাদেশ: রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
৩০ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ১৫ মহর্‌রম ১৪৪৪ হিজরি

  বাংলাদেশ: রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ১৫ মহর্‌রম ১৪৪৪ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ৭:০৫ পিএম

কিশোরী খুকুমনির মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল!

কাফি আনোয়ার, ঈদগাঁও, কক্সবাজার
ঈদগাঁও’তে কিশোরী খুকুমনির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ধুম্রজাল দিন দিন ঘ্ণীভূত হচ্ছে। খুকুমনির বাবা মায়ের দেয়া বয়ানকে সাজানো গল্প বলে দাবি করছেন অনেকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ঈদগাঁও থানা  পুলিশ ও গ্ণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা নিয়ে উঠছে নেতিবাচক প্রশ্ন । 

নিহত খুকুমনির স্বজন,প্রতিবেশী,  গ্রামবাসী ও প্রত্যকদর্শীদের সাক্ষ্য এবং ঘটনার বর্ণনা ভিন্ন ভিন্ন।  যা সচেতনমহলে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।  অপমৃত্যুর মামলা রুজু না হওয়া, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পোস্টমর্টেম বা অটোপসী না হওয়া বা দূর্ঘটনাজনিত মৃত্যু বলে তড়িগড়ি লাশ দাফন জনমনে ঈদগাঁও থানা পুলিশ সম্পর্কে সন্দেহজনক ও নেতিবাচক ধারণা তৈরি করেছে। আসলে এটি হত্যাকাণ্ড  নাকি নিছক একটি দূর্ঘটনা ?  প্রশ্ন বারবার ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে। 

প্রভাবশালীদের প্রভাবে ময়না তদন্ত ছাড়া  লাশ দাফন, সুনির্দিষ্ট বিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা বা দূর্ঘটনার প্রকৃত কারণ  উদঘাটন ব্যতিরেকে লাশ দাফনের মৌখিক বা লিখিত অনুমোদন  ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারার সুস্পষ্ট লংঘন হিসেবেই দেখছেন অনেক আইনবিশেষজ্ঞরা। কিন্তু এই ধৃষ্টতা কার? 

ফৌজদারি কার্যবিধি মতে,প্রাকৃতিক নিয়মের বাইরে যে কোন মৃত্যুই অস্বাভাবিক মৃত্যু বা অপমৃত্যু । সাধারণতঃ কোন দুর্ঘটনায়, পানিতে ডুবে, স্বেচ্ছায় গলায় রশি দিয়ে, বিষপান করে কিংবা অন্য যে কোন উপায়ে আত্মহত্যা করলে তা অস্বাভাবিক মৃত্যু বা অপমৃত্যু বলেই গণ্য করা হয়। নিজেকে নিজে হত্যা করা বা অপরজনকে হত্যা করা উভয় ক্ষেত্রেই এটি একটি হত্যাকান্ড।

আত্মহত্যায় অপরাধীর অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যায় বলে মামলা মোকাদ্দমার বেগ তাকে পোহাতে হয়না। কিন্তু ওই ব্যক্তি নিজের বদলে যখন অপরজনকে হত্যা করে তখন প্রেক্ষাপট,সামাজিক, রাজনৈতিক ও আইনগত অবস্থান ভিন্নরুপ পরিগ্রহ করে। 

যেকোন অস্বাভাবিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট  থানার ওসি বা দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা ১৮৬১ সালের আইনের ৪৪ ধারা, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ও ১৫৫ এবং পিআরবি ৩৭৭ এর নিয়মানুযায়ী ঘটনাটি জেনারেল ডায়রিতে নোট করবেন। অতঃপর ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারা এবং পিআরবি ২৯৯ অনুযায়ী অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা রুজু করে তদন্তের ব্যবস্থা করবেন। ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ১৫০ ধারা এবং পিআরবি ১২০ নিয়মানুযায়ী তিনি বিষয়টি উর্ধ্বতন অফিসারকে জানানো পুলিশের দায়িত্ব। 

গত  ১৯ মে ২০২১ ইং তারিখ বুধবার ঈদগাঁও থানার অন্তর্ভুক্ত ঈদগাঁও ইউনিয়নের পশ্চিম ভাদিতলা গ্রামের রফিকুল ইসলাম( প্রকাশ বার্মাইয়া রফিক) ও জোবাইদা আক্তারের মেয়ে খুকুমনি( ১৩) অস্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করে। এই মৃত্যু নিয়ে উঠছে নানামুখী প্রশ্ন। নিহত খুকুমনির পিতা রফিকের দাবি দূর্ঘটনাবশত সিলিংফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে যাওয়ায় ঘরের দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে মাথায় আঘাতের ফলে তার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। 

সাংবাদিকদের কাছে  ঈদগাঁও থানার ওসি মুহাম্মদ আবদুল হালিমও  খুকুমনির গলায় এবং মাথায় আঘাতের কথা স্বীকার করে ঘটনাটিকে নিছক একটি দূর্ঘটনা হিসেবে ব্যাখ্যা দেন।জানা গেছে, স্থানীয় প্রভাবশালীদের একটি পক্ষ নানা তদবীর ও দেন-দরবারের মাধ্যমে পোস্টমর্টেম ছাড়া লাশ দাফনের চেষ্টা চালায় এবং সফল হয়ে তড়িঘড়ি লাশ দাফনের ব্যবস্থা করে। ইতোমধ্যেই পুরো এলাকায় এই ঘটনার ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা লোকমুখে চাউর হয়। যা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীদের  বয়ানের সাথে মিলে যায়।

একপক্ষের দাবি খুকুমনি আত্মহত্যা করেছে, অপর একটি পক্ষের দাবি মেয়ে খুকুমনির প্রেমঘটিত বিষয়ে প্রচণ্ডভাবে ক্ষুদ্ধ পিতা রফিক বেধড়কভাবে পিটিয়ে কন্যা খুকুমনিকে হত্যা করে। পরে ঘরের সিলিংফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে দুর্ঘটনার নাটক সাজায়। স্থানীয়দের মতে, প্রত্যাবাসিত রোহিঙ্গা নাগরিক রফিক দীর্ঘদিন ধরে তার বসতবাড়ীর পাশে একটি মুদির দোকান করে আসছে। দোকান থেকে তার ঘরের দুরত্ব মাত্র  ১৫-২০ ফুট।
অসমর্থিত একটি সূত্রমতে, স্থানীয় সোহেল নামের এক যুবকের সাথে খুকুমনি মন দেয়ানেয়া চলছিল বেশ কিছুদিন ধরে। মাঝে মাঝে লোকচক্ষুর আড়ালে এই দুই প্রেমিক-প্রেমিকা প্রেম অভিসারে মিলিত হত। ঘটনার দিন (১৯/০৫/২০২১) ফাঁকা ঘরে (মা ও পরিবারের সদস্যদের অনুপস্থিতির সুবাদে) খুকুমনি তার প্রেমিক সোহেলকে নিজ আলয়ে ডেকে আনে (খুকুমনির মা জোবায়রা আক্তার নিজেও ওইদিন ঘরে না থাকার কথা স্বীকার করেছেন)।
এক পর্যায়ে মুদির দোকানদার পিতা রফিক জরুরী প্রয়োজনে ঘরে প্রবেশ করলে আপত্তিকর অবস্থায় খুকুমনি ও সোহেল দুজনকে দেখে ফেলে। প্রেমিক সোহেল খুকুমনির পিতার উপস্থিতি বুঝতে পেরে ভৌ-দৌঁড় দিয়ে পালিয়ে যায়। রফিকও সোহেলকে ধরার জন্য তার পিছনে অনেক দুর পর্যন্ত দৌঁড়াতে থাকে। সোহেলকে ধরতে না পেরে খুকুমনির পিতা রফিক ক্ষোভ, দুঃখ অপমানে ফুসে উঠে এবং নিজ ঘরে ফিরে এসে বিক্ষুদ্ধ রফিক সমস্ত রাগ ও শক্তি দিয়ে তার কিশোরীকন্যা খুকুমনিকে বেধড়ক পিটানো শুরু করে। শক্ত বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত করলে একপর্যায়ে খুকুমনি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।  ততক্ষণে কিশোরী খুকুমনির প্রাণবায়ু দেহত্যাগ করে। মেয়ের এই অবস্থা দেখে রফিকের সম্বিত ফিরে আসে এবং খুকুমনির গলায় ওড়না পেচিয়ে ফ্যানে ঝুলানোর চেষ্টা করে। পরে  ঘটনাটিকে দূর্ঘটনা বলে পুলিশে খবর দেয়। 

এরপর নাটকের দ্বিতীয় পর্ব রফিক তার প্রভাবশালী আত্মীয় স্বজনকে ব্যবহার করে পুরো নাটকে একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে ভিলেন থেকে বনে গেলেন প্রধান চরিত্রে। 
এটি আদতে কোন গালগল্প নাকি কোন কল্পকাহিনী সেই বিষয়টি একটি  অমীমাংসিত সমীকরণ।কিন্তু সাধারণ মানুষের প্রশ্নবোধক তর্জনীটি ঈদগাঁও থানা পুলিশের দিকেই নির্দেশ করছে  বারবার।  কার বা কোন শক্তির প্রভাবে বা কার নির্দেশে কিংবা কিসের প্রভাবে থানা পুলিশ প্রভাবিত হল?  পুলিশ কেন আইনের স্বাভাবিক ধারায় অগ্রসর হওয়ার বদলে ফৌজদারী কার্যবিধি লংঘন করে অপমৃত্যুর মামলা ও পোস্টমর্টেম ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দিলেন?  এই প্রশ্নগুলি ঘুরে ফিরে বারবার সামনে আসছে। এটি ঈদগাঁও থানা পুলিশের অদক্ষতা?  অনভিজ্ঞতা?  নাকি বৈষয়িক বা ব্যক্তিতান্ত্রিক প্রভাব? 

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী অস্বাভাবিক মৃত্যুজনিত ঘটনার সংবাদটি জ্ঞাত হলে সংশ্লিষ্ট থানার দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা লাশের সুরতহাল রিপোর্ট লিপিবদ্ধ করে ময়না তদন্তের ব্যবস্থা করেন। অস্বাভাবিক মৃত্যু বা অপমৃত্যু মামলার ক্ষেত্রে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মৃত্যুটি কীভাবে হয়েছে তা ময়নাতদন্তের মাধ্যমেই উদঘাটিত হয়।

ঈদগাঁও থানা পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী খুকুমনির মৃত্যু যদি মাথা ও গলায় আঘাতের কারণে হয়ে থাকে তবে এটি যে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু সেটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। সেক্ষেত্রে লাশের পোস্টমর্টেম করা এবং অপমৃত্য মামলা রুজু করা থানা পুলিশের আইনগত বাধ্যবাধকতা। কিন্তু পুলিশ কেন বা কিসের প্রভাবে সেই পথে হাঁটেনি তা রহস্যজনক শুধু নয় আইনের বরখেলাপও বটে।

অস্বাভাবিক বা অপমৃত্যু সংক্রান্ত সাক্ষ্য আইনের ৯ ও ৩৫ ধারা অনুসারে জেনারেল ডায়রি, সুরতহাল রিপোর্ট এবং এই আইনের ৪৫, ৪৬ এবং ৪৭ ধারানুসারে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট (বিশেষজ্ঞ মতামত-পি আর পি ২৯৭ বিধি এবং সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারা) বস্তুগত সাক্ষ্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করা সংশ্লিষ্ট  থানা পুলিশের দায়িত্ব।কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর(পিপি) এডভোকেট একরামূল হুদা এই বিষয়ে বলেন, স্বাভাবিক মৃত্য ছাড়া যেকোন অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটনায় রাষ্ট্রপক্ষ হিসেবে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ বাদি হয়ে অপমৃত্যু মামলা রুজু করা ফৌজদারি কার্যবিধি। যেকোন অস্বাভাবিক মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বা রহস্য উদঘাটন নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রের অঙ্গীকার। যা ফৌজদারী কার্যবিধি ১৭৪ ধারায় সুস্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। 

ঈদগাঁও থানার অধীনস্থ এলাকায় সংঘটিত এবং বহুল সমালোচিত৷ কিশোরী খুকুমনির অস্বাভাবিক মৃত্যুর রহস্যটি উদঘাটন করা পুলিশের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির পর অপমৃত্যু মামলা রুজু করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা পুলিশের উচিত ছিল। তিনি আরো বলেন, কোন বস্তুগত বা বৈষয়িক প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে পুলিশের  দায়িত্বশীল কোন কর্মকর্তা যদি কোন জ্ঞাতসারে বা অজ্ঞাতসারে অপরাধীর অপরাধ ধামাচাপা দেয় বা দেয়ার সুযোগ তৈরী করে দেয় কিংবা ওই অপরাধীর পক্ষে অবস্থান নেয় তাহলে অপরাধী ও পুলিশের মধ্যে তফাত আর কি থাকে? এই ঘটনায় ঈদগাঁও থানা পুলিশের ভূমিকায় যথেষ্ট প্রশ্নবোধক চিহ্ন থেকে যাচ্ছে।

তথ্যমতে, গত ২০ জানুয়ারি ২০২১ ইং তারিখ নবগঠিত ঈদগাঁও থানার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করার পর থেকে সংঘটিত একের পর এক হত্যাকাণ্ড ও অপরাধমূলক ঘটনা সাধারণ মানুষের মনে থানা পুলিশ সম্পর্কে একপ্রকার নেতিবাচক ধারণা তৈরি করছে । বিভিন্ন আলোচনায় পুলিশের প্রশংসা যেমন আছে তেমনি সমালোচনা ও নেতিবাচক ভূমিকার অনুপুঙ্খচিত্রের বিশ্লেষণও আছে।

বিভিন্নস্থানে অপরাধ দমন ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, দায়বদ্ধতা নিয়ে বহুমাত্রিক আলোচনা সমালোচনাও থেমে নেই। ঈদগাঁও থানা পুলিশের অদক্ষতা বা অনভিজ্ঞতা কিংবা রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতার শৈথিল্যে যদিবকোন অপরাধ সংঘটিত হয় কিংবা কোন অপরাধী তার সংঘটিত অপরাধ থেকে দায়মুক্ত হয় কিংবা জনগণের  সামাজিক ন্যায়বিচার, শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় তবে সেই দায় কার? কিশোরী খুকুমনির অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড নাকি দূর্ঘটনা সেই রহস্য বা প্রকৃত কারণ উন্মোচন বা উদঘাটন করা পুলিশের দায়িত্ব। 

ঈদগাঁও পুলিশের উদাসীনতা,শৈথিল্যতা কিংবা  মোহগ্রস্ততা কিংবা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের প্রতি দায়বদ্ধতায় অবহেলার কারণে কোন অপরাধ সংঘটিত হয় কিংবা চিহ্নিত কোন অপরাধী সংঘটিত অপরাধ থেকে দায়মুক্ত হয় তবে তার জন্য অপরাধী কে?  রাষ্ট্র?  নাগরিক?  নাকি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ?  অপরাধ দমন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান, শান্তি শৃঙখলা নিশ্চিত করার লক্ষে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পুলিশী সেবা পৌঁছে দেয়া অঙ্গীকারে ঈদগাঁওতে নতুন থানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু সেই অঙ্গীকার রক্ষায় নতুন থানা পুলিশ কতটুকু কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে? 

মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র বলেছিলেন, Injustice anywhere is a threat to justice everywhere.একটি অপরাধ বা অন্যায় প্রশ্রয় দেয়া অর্থ হলো সমাজে হাজারো অপরাধ বা অন্যায়ের প্রজননক্ষেত্রকে পরিপুষ্ট হওয়ার সুযোগ তৈরী করে দেয়া। এটি কোন সভ্য সমাজের মূল্যবোধ হতে পারেনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *