বাংলাদেশ: রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
৩০ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ১৫ মহর্‌রম ১৪৪৪ হিজরি

  বাংলাদেশ: রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ১৫ মহর্‌রম ১৪৪৪ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ৭:০৫ পিএম

নতুন ‘সুপার আর্থ’ খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা: বাসযোগ্য হতে পারে!

এইনগরে প্রযুক্তি: ‘নতুন পৃথিবী’ খোঁজার চেষ্টায় নিরন্তর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। আমাদের চেনা পুরনো গ্রহে এক তো জায়গার অসুবিধে, তার ওপর প্রাকৃতিক সম্পদও নিঃশেষ হওয়ার পথে। খোঁজ পাওয়া গেল এক ‘সুপার’ আর্থের যা আমাদের পৃথিবী থেকে ৩৬ আলোকবর্ষ দূরে। প্রাণের সম্ভাবনাও সেখানে অসম্ভব নয়। 
ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা এই গ্রহের খোঁজ পেয়েছেন। পৃথিবীতে এক বছর যেমন ৩৬৫ দিনে হয়, ওই গ্রহটিতে কিন্তু হয় মাত্র আড়াই দিনে। সঠিকভাবে বলতে গেলে দু’দিন ৯ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। জিজে ৭৪০ নামের গ্রহটি ওইটুকু সময়েই তার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে পারে। 
একে সুপার আর্থ বলা হচ্ছে কেন? আমাদের পৃথিবীর দ্বিগুণ থেকে ১০ গুণ আকারের গ্রহদের বলা হয় সুপার আর্থ। এই গ্রহটির ভর পৃথিবীর তিন গুণ। সৌরজগতের চতুর্থ বড় নেপচুনের থেকে আকারে সামান্য ছোট। বড় হলেও সুপার আর্থ যে মাটি পাথর দিয়ে তৈরি তা নয়, গ্যাসের গোলাও হতে পারে। 
কিন্তু এই গ্রহ কি আদৌ মানুষের বসবাসের যোগ্য? বিজ্ঞানীরা বলছেন, অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করছে বিষয়টা। রেড ডোয়ার্ফের (মৃত ঠান্ডা তারা) কাছাকাছি থাকা এই জিজে ৭৪০-এর মতো গ্রহগুলোর ক্ষেত্রে সমস্যা হল বাসযোগ্য জোন খুবই ছোট। গ্রহটি তারার যত বেশি কাছে থাকবে দু’জনের একই বেগে ঘূর্ণনের সম্ভাবনা হবে তত বেশি। এ কারণে গ্রহের একদিক সবসময় ফুটন্ত গরম অন্যদিক সবকিছু জমিয়ে দেওয়া ঠান্ডা হবে। একদিকে সবসময় দিন অন্যদিকে রাত্রি। 
পৃথিবী এবং শনির মতো যদি বায়ুমণ্ডল থাকে তবে কিছুটা সুরাহা হতে পারে। তাপমাত্রার এই চরম বৈষম্য দূর করতে পারে বায়ুমণ্ডলই। বিজ্ঞানীরা বলছেন, আরও বেশ কিছু বিষয় অনুকূল হলে সেখানে প্রাণের সঞ্চার হতেই পারে। ‘সূর্য’ অবশ্য অনেক বড় দেখাবে এবং গাছপালা সবুজ নয় দেখতে হবে কালো রঙের। কিন্তু মানুষ বেঁচে থাকতে পারবে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *