বাংলাদেশ: শুক্রবার ২৮ জানুয়ারি ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
১৪ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: শুক্রবার ২৮ জানুয়ারি ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ৭:০৫ পিএম

পর্যটকে মুখর কক্সবাজার, উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি

8 / 100

নুরুল আমিন হেলালী, কক্সবাজার:
পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সকল পর্যটন স্পট করোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সরকার পরিস্থিতি বিবেচনায় গত মাস থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে।


 তখন থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভ্রমন পিপাসু পর্যটক ও স্থানীয়দের পদচারণায় মুখরিত সমুদ্র সৈকতসহ জেলার বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রগুলো।


পর্যটন স্পটগুলো দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় বিরাট ক্ষতির মুখে পড়েছিল এই খাতে বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ীরা। থমকে গিয়েছিল পর্যটন খাত, সুনসান নিরবতা পালন করেছে কলাতলি হোটেল-মোটেল জোনসহ কক্সবাজারের পর্যটন সংশ্লিষ্ঠ বিনোদন কেন্দ্রে।


 তবে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকার গত ১৯ আগস্ট সমস্ত পর্যটন স্পট খুলে দেয়। এই সুযোগে দেশের অন্যান্য পর্যটন এলাকার মতো কক্সবাজারেও প্রতিদিন ছুটে আসছেন হাজারো পর্যটক। পর্যটকের পাশাপাশি সৈকতে ভিড় করেছেন স্থানীয়রাও। প্রথমদিকে প্রশাসনের কড়াকড়িতে কিছুটা হলেও স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা গেলেও এখন কারোই ছিল না স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবনতা।

পর্যটন সংশ্লিষ্ঠরা বলছেন , হোটেল মোটেল ও পর্যটন কেন্দ্র খুলে দেওয়ার পর থেকে প্রচুর পর্যটক কক্সবাজারে আসছেন। তবে সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকলে পর্যটক একটু বেশি আসেন। এখন একটি হোটেলে গাদাগাদি করে অতিরিক্ত পর্যটক থাকার সুযোগ নেই। 

স্বাস্থ্যবিধি মেনে হোটেলের অর্ধেক রুম ভাড়া দিয়ে বাকি রুমগুলো খালি রাখার সরকারি নির্দেশনা থাকলেও কোথাও কিন্তু সেটা মানা হচ্ছে না। ফলে উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি। 

সরেজমিনে দেখা যায়, সমুদ্র সৈকতের লাবণী, সী-গাল, সুগন্ধা, কলাতলি পয়েন্টে হাজার হাজার পর্যটক সমুদ্র স্নান ও কিটকটে বসে সময় পার করছেন। কিন্তু সেখানে যে যার মত সময় কাটাচ্ছেন তবে প্রায় পর্যটকের মুখে নেই মাস্ক।

ঢাকার মিরপুর থেকে স্ব-পরিবারে বেড়াতে আসা মোশারফ, জামিল, অপুসহ কয়েকজন পর্যটক বলেন, কক্সবাজার এসেছি মুক্ত বাতাস ও সমুদ্র সৈকতে বেড়ানোর জন্য। কিন্তু এখানে এসে দেখি প্রায় পর্যটকের মুখে মাস্ক নেই।

অন্যদিকে স্থানীয়রা বলছেন ,ছুটি পেয়ে অনেকে গ্রুপ করে কক্সবাজার বেড়াতে এসেছেন। পর্যটনখাত চাঙ্গা হয়েছে কিন্তু তারা যেভাবে মুখে মাস্ক ছড়াই ঘুরাফেরা করছেন এতে স্বাস্থ্যবিধি লঙ্গিত হচ্ছে। ফলে করোনা ঝুঁকির সম্ভাবনা  উড়িয়ে দেয়া যাই না।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো: জিল্লুর রহমান বলেন, পর্যটক নিরাপত্তায় সৈকত এলাকায় পোশাকধারী পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সাদা পোশাকধারী পুলিশও পর্যটকদের নিরাপত্তায় কাজ করছেন। এছাড়া মাস্ক ব্যবহারে বাধ্যতামুলক করতে সমুদ্র সৈকতের প্রত্যেক পয়েন্টে ট্যুরিষ্ট পুলিশের সদস্যরা কাজ করছেন বলেও তিনি এই প্রতিবেদককে অবহিত করেন।

পর্যটন সংশ্লিষ্ঠ প্রশাসন বলছেন, সকলকে মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে এবং পর্যটকদের নিরাপত্তায় প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি রয়েছে। এছাড়া সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা, কলাতলীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে তথ্য কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *