বাংলাদেশ: বৃহস্পতিবার ১৮ আগস্ট ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
৩ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ১৯ মহর্‌রম ১৪৪৪ হিজরি

  বাংলাদেশ: বৃহস্পতিবার ১৮ আগস্ট ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৩ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ১৯ মহর্‌রম ১৪৪৪ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ৭:০৫ পিএম

প্রধান সড়কের উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে গাফেলতি আছে: কউক চেয়ারম্যান

এইনগরে অনলাইন ডেস্ক: কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কের উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের গাফেলতি আছে বলে মন্তব্য করেছেন খোদ কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্ণেল (অবঃ) ফোরকান আহমেদ। গতকাল বিকেল ৩ টার দিকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

কউক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি খেয়াল রাখছি, কোথাও জনগনের কোন ধরনের সমস্যা হচ্ছে কিনা এবং কেউ কোথাও গাফেলতি করছে কিনা। তাদের যথেষ্ট গাফেলতি আমি পেয়েছি। আজ সকাল ৯ টায় আমি মাঠ পর্যায়ে গিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে আমি ব্রিফ করেছি। সময়ের কাজ সময়ে করার জন্য সকলকে বলে দেওয়া হয়েছে।’তিনি বলেন, ‘জনগনের ভোগান্তির কথা মাথায় রেখে যেখানে উন্নয়ন কাজ হবে সেখানে সীমিত পরিসরে ‘ওয়ান ওয়ে’ অর্থাৎ যানবাহনের একমুখি চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে।’  
এই উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে সাংবাদিকদের ইতিবাচক সহযোগীতা প্রত্যাশা করেন  লে. কর্ণেল (অবঃ) ফোরকান আহমেদ। উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমরা আপনাদের সহযোগীতা চাই। কি করলে আমরা এটা আরও দ্রæত করতে পারবো এবং টেকসই সুন্দর কাজ হবে সেটাই আমরা করতে চাই।’লে. কর্ণেল (অবঃ) ফোরকান আহমেদ বলেন, ‘এই রাস্তাটা আমরা দু’ভাগে ভাগ করে নিয়েছি। ৫ কিলোমিটার রাস্তাটিকে দুই ভাগে ভাগ করার উদ্দেশ্য হলো, এই রাস্তাটা তিন বছরের মধ্যে কমপ্লিট হওয়ার কথা। আইনানুযায়ী, পিপিপি অনুযায়ী, তৈরির সময় অনুযায়ী আমরা সেটাকে করেছি দেড় বছর। দুইটি টিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে আমরা টেন্ডার দিয়েছি। এনডি নামে একটা প্রতিষ্ঠান পেয়েছে তারবনিয়ারছড়া থেকে হলিডের মোড় পর্যন্ত অংশের কাজ। তারা কাজ শুরু করে দিয়েছে। তারাবনিয়ারছড়া থেকে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত অংশের কাজ দেওয়া হয়েছে তাহের ব্রাদার্স নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠানকে। যারা বাসস্ট্যান্ড থেকে কাজ শুরু করেছে তাদের ওইদিকে ঝামেলা কম। তুলনামূলকভাবে তারা একটু খোলামেলাভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ওই রাস্তাটা ১০০ ফুট করতে হবে। কিন্তু তারাবনিয়ারছড়া থেকে হলিডের মোড় পর্যন্ত এই রাস্তাটা ৫০ ফুট করা হবে। এই ৫০ ফুট করতে গিয়েও কিছু কিছু জায়গায় আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।’

কউক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি খেয়াল রাখছি, কোথাও জনগনের কোন ধরনের সমস্যা হচ্ছে কিনা এবং কেউ কোথাও গাফেলতি করছে কিনা। তাদের যথেষ্ট গাফেলতি আমি পেয়েছি। আজ সকাল ৯ টায় আমি মাঠ পর্যায়ে গিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে আমি ব্রিফ করেছি। সময়ের কাজ সময়ে করার জন্য সকলকে বলে দেওয়া হয়েছে।’তিনি বলেন, ‘জনগনের ভোগান্তির কথা মাথায় রেখে যেখানে উন্নয়ন কাজ হবে সেখানে সীমিত পরিসরে ‘ওয়ান ওয়ে’ অর্থাৎ যানবাহনের একমুখি চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে।’  
এই উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে সাংবাদিকদের ইতিবাচক সহযোগীতা প্রত্যাশা করেন  লে. কর্ণেল (অবঃ) ফোরকান আহমেদ। উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমরা আপনাদের সহযোগীতা চাই। কি করলে আমরা এটা আরও দ্রæত করতে পারবো এবং টেকসই সুন্দর কাজ হবে সেটাই আমরা করতে চাই।’লে. কর্ণেল (অবঃ) ফোরকান আহমেদ বলেন, ‘এই রাস্তাটা আমরা দু’ভাগে ভাগ করে নিয়েছি। ৫ কিলোমিটার রাস্তাটিকে দুই ভাগে ভাগ করার উদ্দেশ্য হলো, এই রাস্তাটা তিন বছরের মধ্যে কমপ্লিট হওয়ার কথা। আইনানুযায়ী, পিপিপি অনুযায়ী, তৈরির সময় অনুযায়ী আমরা সেটাকে করেছি দেড় বছর। দুইটি টিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে আমরা টেন্ডার দিয়েছি। এনডি নামে একটা প্রতিষ্ঠান পেয়েছে তারবনিয়ারছড়া থেকে হলিডের মোড় পর্যন্ত অংশের কাজ। তারা কাজ শুরু করে দিয়েছে। তারাবনিয়ারছড়া থেকে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত অংশের কাজ দেওয়া হয়েছে তাহের ব্রাদার্স নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠানকে। যারা বাসস্ট্যান্ড থেকে কাজ শুরু করেছে তাদের ওইদিকে ঝামেলা কম। তুলনামূলকভাবে তারা একটু খোলামেলাভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ওই রাস্তাটা ১০০ ফুট করতে হবে। কিন্তু তারাবনিয়ারছড়া থেকে হলিডের মোড় পর্যন্ত এই রাস্তাটা ৫০ ফুট করা হবে। এই ৫০ ফুট করতে গিয়েও কিছু কিছু জায়গায় আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের একটা আদেশ আছে, রাস্তার পাশে কোন ধরনের স্থাপনা করতে হলে তা ১০ ফুট দুরত্বে করতে হবে। প্রত্যেক জায়গায় সড়ক ও জনপদ বিভাগ একটি চিহ্নিত করে দেওয়ার কথা। কিন্তু এখানে অনেক দোকানপাট-ভবন হয়ে গেছে। রাস্তার যেটুকু জায়গা থাকার কথা সেটুকু আমরা রাখিনি। রাস্তার জন্য জায়গা নেওয়ার ক্ষেত্রে স্থাপনার মালিকদের ক্ষতিপূরণের কোন ব্যবস্থাও আমরা রাখিনি। এ কারণে আমরা এখন যে জায়গাটুকু আছে কোথাও ৪০ফুট, কোথাও ৪৫ ফুট, কোথাও ৫০ফুট বা ৫৫ ফুট নিয়ে আমরা রাস্তার কাজটুকু শুরু করেছি।’  ফোরকান আহমেদ বলেন, ‘রাস্তাটার মধ্যে ৩ ধরনের ইঞ্জিনিয়ার জড়িত আছে। কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ইঞ্জিনিয়ার যারা ড্রইং ডিজাইন করেছে, ইওআই এর ইঞ্জিনিয়ার এবং যারা কন্ট্রাক্ট পেয়েছে তাদের ইঞ্জিনিয়ার। তারা সমন্বয় করে কাজ করছে। আমরা সেটার সুপারভাইজ করছি। কিন্তু কাজটা করার দায়িত্ব কন্ট্রাক্টরের।’তিনি আরও বলেন, ‘আপনাদের অনুধাবন করতে হবে এই রাস্তায় যতগুলো টমটম চলে এবং যে ড্রাইভাররা এ টমটম চালায় তারা অভিজ্ঞ নয়। আমাদের যাত্রী যারা থাকেন, সম্মানিত যাত্রীরা যেকোন জায়গায় উঠছেন, যেকোন জায়গায় নামছেন। এটাও কিন্তু যানজটের একটা কারণ। দ্বিতীয় সমস্যা হচ্ছে এই রাস্তায় যেখানে দোকান থাকার কথা সেখানে নাই। দোকানের সামনে আবার একটা ফলের দোকান। এলপিজির দোকান। এই রাস্তাটা করার জন্য রাস্তার পাশে একটা সুয়োরেজ লাইন করা হবে। এটাও করতে গিয়ে আরো অসুবিধা। অনেকেই মনে করছেন রাস্তা উঁচু হয়ে যাবে, দোকান নিচু হয়ে যাবে। এটা ভুল ধারনা।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *