বাংলাদেশ: শুক্রবার ১৪ জানুয়ারি ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
৩০ পৌষ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১০ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: শুক্রবার ১৪ জানুয়ারি ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৩০ পৌষ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১০ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ৬:২৪ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী হারিকেন আইডা মোকাবেলায় প্রস্তুত

8 / 100

এইনগরে অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা রাজ্য হাসপাতালে কোভিড রোগীর উপচে পড়া চাপ মোকাবেলায় হিমশিম খাওয়ার মধ্যেই এখন শক্তিশালী হারিকেন আইডা মোকাবেলায় প্রস্তুত হচ্ছে।

চার মাত্রার ‘অতি বিপজ্জনক’ এ ঘূর্ণিঝড়টি স্থানীয় সময় রোববার আঘাত হানতে যাচ্ছে; ঝড়ের প্রভাবে রাজ্যটির উপকূলীয় অঞ্চলের অনেক এলাকাই পানিতে তলিয়ে যেতে পারে বলে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের আবহাওয়া কর্মকরতারা যেমনটা ধারণা করেছিলেন আইডা শনিবার তার চেয়েও বেশি শক্তি অর্জন করেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

হ্যারিকেন মোকাবেলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে; বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

লুইজিয়ানার উপকূলীয় অঞ্চল এখনও বছরখানেক আগের হারিকেন লরার ধকলই কাটিয়ে উঠতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণপূর্বের এ রাজ্যটিতে ৭ দিন ধরে প্রতি এক লাখ মানুষে পুরো দেশের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ কোভিড রোগী মিলছে।

শনিবার লুইজিয়ানার গভর্নর জন বেল এডওয়ার্ড বলেছেন, আইডার প্রবল ঝড়ো বাতাস ভয়ঙ্কর হতে পারে, ৩০০ মাইল এলাকাজুড়ে এর বিস্তার থাকতে পারে। ১৮৫০-র পর এটি সরাসরি লুইজিয়ানায় আঘাত হানা সবচেয়ে মারাত্মক ঝড় হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।

১৬ বছর আগে এই সময়েই লুইজিয়ানায় আঘাত হেনেছিল ঘূর্ণিঝড় ক্যাটরিনা, প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল এক হাজার ৮০০রও বেশি মানুষের।

ঘূর্ণিঝড় এগিয়ে এলেও হাসপাতালগুলো খালি করার কোনো পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষের নেই বলে জানিয়েছেন এডওয়ার্ড।

লুইজিয়ানার হাসপাতালগুলোতে এখন বিপুল সংখ্যক কোভিড রোগীর চাপ।

শুক্রবারই রাজ্যটিতে ৩ হাজার ৪০০র বেশি নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে; সেখানে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৭০০রও বেশি।

“হাসপাতালগুলোর জেনারেটর যেন সচল থাকে, তাদের কাছে যেন স্বাভাবিক অবস্থার চেয়েও বেশি পানি থাকে, যেন পিপিই থাকে তা নিয়ে কথা বলছি আমরা,” শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই বলেছেন এডওয়ার্ড।

ঘূর্ণিঝড় আইডা এগিয়ে আসায় নিচু ও উপকূলের বিস্তৃত এলাকা থেকে মানুষজনকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট মহাসড়কগুলোতে গাড়ির ব্যাপক জট দেখা গেছে, অনেক গ্যাস স্টেশনের জ্বালানিও ফুরিয়ে গেছে।

সমুদ্রতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দা ও ছুটি কাটাতে আসা মানুষজন নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাচ্ছেন।

“এটি খুব শক্তিশালী ও বিপজ্জনক ঝড়, এটি আমাদের ধারণা চেয়েও দ্রুতগতিতে অগ্রসর হচ্ছে, যে কারণে আমরা প্রস্তুতির জন্য খুব বেশি সময় পাইনি। এখানে অনেক কোভিড রোগী, তাই এখানে ঝুঁকিও অনেক,” বলেছেন লুইজিয়ানার প্রধান মেডিকেল কর্মকর্তা ড. জোসেফ কেনটার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *