বাংলাদেশ: শুক্রবার ১৪ জানুয়ারি ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
৩০ পৌষ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১০ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: শুক্রবার ১৪ জানুয়ারি ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৩০ পৌষ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১০ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ৬:২৪ পিএম

শোকের মাস

8 / 100

এইনগরে অনলাইন ডেস্ক: “….. সোনার বাংলা গড়তে হবে লক্ষ মুজিব জাগো/ এক মুজিবের রক্ত থেকে লক্ষ মুজিব জন্ম নেবে/ এবার দেখো মাগো। অপ্রতিরোধ্য অকুতোভয় বীরের কাছে হাজারো বছর নত/ হয়না তুলনা এমনযে আর বঙ্গবন্ধু মুজিবের মত/ শ্রেষ্ঠ তিনি বাংলার শুধু নয় শ্রেষ্ঠ তিনি বিশ্বের/ রক্ত দিয়ে জানিয়ে গেলেন, ছিলেন তিনি নিঃস্বের।”

কবি রবীন্দ্র গোপ তাঁর ‘এক মুজিবের রক্ত থেকে’ নামক কবিতায় এমনিভাবে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বাংলাদেশ নামক জাতিরাষ্ট্রের মহান স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি।

বাঙালী জাতির বেদনাবিধুর শোকের মাস আগস্টের আজ ষষ্ঠ দিন। সর্বত্রই শোকের আবহ। রাজধানীসহ সারাদেশেই বিশাল বিশাল কালো পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার টানানো হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তাতে নানা স্লোগান-কবিতা শোভা পাচ্ছে।

করোনার কারণে প্রকাশ্য বড় জনসমাগম করে বড় কোন আনুষ্ঠানিকতা বা শোক পালনের ব্যাপক কর্মসূচী না থাকলেও কৃতজ্ঞ বাঙালী স্বাস্থ্যবিধি মেনে নানা আয়োজনে এবং হৃদয়ের গভীরতা থেকে স্মরণ করছেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী, বাংলাদেশ নামক স্বাধীন জাতিরাষ্ট্রের সুমহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

আগস্ট এলেই সেই রক্তাক্ত স্মৃতিগুলো দেশবাসীর মনে ভেসে ওঠে। বিশ্বাসঘাতক ও বেঈমান খুনীদের প্রতি বাঙালীর তীব্র ঘৃণা ও ধিক্কারের মাত্রা ততই যেন বৃদ্ধি পায়। তাই শোকাবহ আগস্ট এলেই ডুকরে কেঁদে ওঠে বাঙালী। বুকের ভেতর বয়ে যায় বেদনার ¯্রােত।

জাতির পিতার নির্দেশেই বাঙালী জাতি ঝাঁপিয়ে পড়েছিল একাত্তরে দেশ স্বাধীন করতে, একটি স্বাধীন পতাকা ও মানচিত্রের জন্য। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে ছিনিয়ে এনেছিল মহার্ঘ স্বাধীনতা। আবার সেই স্বাধীন ভূমিতেই জাতির জনককে খুন হতে হলো কিছু ক্ষমতালোভী, স্বাধীনতাবিরোধী পাপিষ্ঠের হাতে, এই আগস্টেই। তাই আগস্ট মানেই শোক, আগস্ট মানেই শোকে আপ্লুত বাঙালীর কান্নাভেজা পরম বেদনায়।

মাত্র ৫৫ বছরের জীবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু এ দেশের মাটি আর মানুষকে বেঁধেছিলেন গভীর ভালবাসার বন্ধনে। যে বন্ধন কোনদিন ছিন্ন হওয়ার নয়। বাঙালীর কাছে মুজিব মানে এক মৃত্যুঞ্জয়ী বীরের নাম। বঙ্গবন্ধু রয়েছেন বাঙালীর হৃদয়ে, শ্রদ্ধা ও ভালবাসায়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নামটি দেশদ্রোহী মোনাফেক, ঘাতকচক্র চিরতরে মুছে ফেলতে চেয়েছিল। কিন্তু ঘাতকদের ধারণা ভুল ছিল। হত্যার পর বঙ্গবন্ধু মুজিব আরও বেশি করে বাঙালীর হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। বরং ঘাতকচক্র ও কুচক্রীরাই ইতিহাসের চাকায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। বছর ঘুরে রক্তের কালিতে লেখা সেই আগস্ট বার বার ফিরে আসে। নদীর ¯্রােতের মতো চিরবহমান কাল থেকে কালান্তরে জ্বলবে শোকের আগুন।

নাসিম ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ ॥ শোকাবহ আগস্ট ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দুস্থ-অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে মোহাম্মদ নাসিম ফাউন্ডেশন। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সোবহানবাগ ও কলাবাগান এলাকায় মোহাম্মদ নাসিম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পাঁচ শতাধিক মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ছিল ৫ কেজি চাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি পেঁয়াজ, ১ কেজি ডাল, হাফ কেজি চিনি, হাফ কেজি দুধ, ১ কেজি লবণ, ১ লিটার তেল এবং ২ কেজি আটা।

মোহাম্মদ নাসিম ফাউন্ডেশনের অন্যতম সদস্যরা হলেন প্রয়াত মোহাম্মদ নাসিমের সহধর্মিণী মিসেস লায়লা আরজুমান্দ, বড় ছেলে তানভীর শাকিল জয় এমপি, মেজো ছেলে তমাল মনসুর ও ছোট ছেলে তন্ময় মনসুর। তাঁদের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ত্রাণ বিতরণ করা হয়। ত্রাণ বিতরণকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ডাঃ দিলীপ কুমার রায়, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোঃ তোফাজ্জল হোসেন দয়াল, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের নেতা মোর্শেদ কামাল, কলাবাগান থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নজরুল ইসলাম সাধু, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন, ১৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নুরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ। জনকণ্ঠ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *