বাংলাদেশ: সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
৩১ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ১৬ মহর্‌রম ১৪৪৪ হিজরি

  বাংলাদেশ: সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ১৬ মহর্‌রম ১৪৪৪ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ৭:০৫ পিএম

সাজঘরে মুমিনুল থেমেছে ১২৭ রানে

এইনগর খেলাঘর: অবশেষে দুজনকেই ফেরাতে পেরেছে শ্রীলঙ্কান বোলাররা। দুজন বলতে মুমিনুল হক আর নাজমুল হোসেন। প্রথমে নাজমুল হোসেনকে ফেরান লাহিরু কুমারা—কট অ্যান্ড বোল্ড করে। এরপর মুমিনুল আউট হলেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভার বলে আরেক ‘লাহিরু’ থিরিমান্নের ক্যাচ হয়ে।

মুমিনুলের ইনিংস থেমেছে ১২৭ রানে। ৩০৪ বল খেলেছেন তিনি। ইনিংসটি সাজিয়েছেন ১১টি চারে। তাঁর বিদায়ের পর মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন লিটন দাস।

মুমিনুল আর নাজমুল গতকাল প্রথম দিন শেষ করেছিলেন ১৫০ রানে অবিচ্ছিন্ন থেকে। আজ দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনে এই জুটি থেমেছে ২৪২ রানে। নাজমুলের চোয়ালবদ্ধ ইনিংসের সমাপ্তিটা ঘটেছে যেভাবে, সেটিকে কিছুটা ‘অ্যান্টি–ক্লাইমেক্স’ই বলা চলে। দুদিন ধরে ইনিংসটাকে যেভাবে গুছিয়েছিলেন, তার শেষটা ঠিক তেমনভাবে হয়নি। লাহিরু কুমারার বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দিয়েছেন নাজমুল। শটটা একটু আগেভাগেই খেলে ফেলেছিলেন তিনি। তারপরও নাজমুল দারুণ একটা ইনিংসই খেলেই আউট হয়েছেন ৩৭৮ বল খেলে। তাঁর ইনিংসটি ছিল ১৬৩ রানের। ১৭টি বাউন্ডারি আর ১টি ছক্কায় সাজানো তাঁর সেই ইনিংস। নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিটি বড় করে সেটির উদ্‌যাপনটা ভালোই হলো নাজমুলের।

মুমিনুল অবশ্য শ্রীলঙ্কান বোলারদের সামনে ছিলেন ‘দেয়াল’ হয়ে আছেন। নাজমুলের বিদায়ের পর তাঁর সঙ্গী ছিলেন মুশফিকুর রহিম। কাল ৬৪ রানে অপরাজিত থেকে প্রথম দিন শেষ করেছিলেন। কিন্তু নিজের ফিফটিকে সেঞ্চুরিতে পরিণত করার ক্ষেত্রে একটা পরিসংখ্যানগত সুনাম মুমিনুলের বরাবরই ছিল। নিজের ১১তম টেস্ট সেঞ্চুরিটা করে ফেলতে ২২৪ বল খেলেছেন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চতুর্থ টেস্ট সেঞ্চুরিটি যেকোনো বিচারেই মুমিনুলের জন্য বিশেষ কিছুই। অধিনায়কত্বের ভার কাঁধে ওঠার পর থেকে টেস্টে ভরাডুবিই বেশির ভাগ সময় সঙ্গী হয়েছে তাঁর। এ ছাড়া দেশের মাঠ ছাড়া সেঞ্চুরি করতে পারেন না—এমন একটা ‘দুর্নাম’ও নামের পাশে এঁটে গিয়েছিল। পাল্লেকেলেতে সেঞ্চুরি করে সেই দুর্নাম দূর করলেন। নিজের অধিনায়কত্বে টেস্টে একটা ভালো মুহূর্তও পেলেন। ক্রিকেটের বড় সংস্করণে নিজেদের প্রমাণ করারও তো একটা ব্যাপার ছিল।

চা–বিরতির আগেই ৪০০ রানের কোটা পেরিয়েছে বাংলাদেশ। নাজমুল দলীয় ৩৯৪ রানের মাথায় আউট হয়ে যাওয়ায় পাল্লেকেলেতে একটা রেকর্ডের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। এর আগে বাংলাদেশ কখনোই টেস্টে ২ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ৪০০ তুলতে পারেনি। ২০১৫ সালে খুলনায় পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের তৃতীয় উইকেট পড়েছিল ৩৯৯ রানে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *